ভাষা পরিবর্তন

আমাদের পৃথিবী প্রতিদিনই পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই আমাদের ভাষাও স্থির নয়। ভাষা প্রগতিশীল ও আমাদের সাথে সাথে উন্নতি লাভ করে। এই পরিবর্তন ভাষার সবক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। তাই বলা যায়, বিভিন্ন ক্ষেতে এটি প্রয়োগ করা যায়। ধ্বনিগত পরিবর্তন একটি ভাষার শব্দের ধরনের উপর প্রভাব ফেলে। শব্দগত পরিবর্তনে শব্দের অর্থ পরিবর্তন হয়। শব্দকোষ পরিবর্তন শব্দভান্ডারে পরিবর্তন ঘটায়। ব্যকরণগত পরিবর্তন ব্যকরণ কাঠামোতে পরিবর্তন আনে। ভাষাগত পরিবর্তন বিভিন্ন রকম। অর্থনৈতিক কারণ প্রায়ই মুখ্য হয়। বক্তারা বা লেখকরা সময় ও কষ্ট কমাতে চায়। সেজন্য তাদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করে বলে।

নতুন আবিষ্কারও ভাষার পরিবর্তনের জন্য দায়ী। তাই নতুন পণ্য আবিষ্কারের সাথে ভাষার পরিবর্তন সম্পৃক্ত। নতুন পণ্যের নতুন নাম দরকার হয়, তাই নতুন শব্দের আগমন ঘটে। ভাষার পরিবর্তন হঠাৎ করে হয়, পরিকল্পনা করে নয়। এটা একটি প্রাকৃতিক ঘটনা এবং নিজে নিজেই এটা ঘটে। কিন্তু ভাষাভাষীরা সচেতনভাবেও ভাষা বদলাতে পারে। এটা করা হয় কোন নির্দিষ্ট কিছু অর্জন করতে। বিদেশী ভাষার প্রভাবও ভাষার পরিবর্তন ঘটায়। এটা বিশ্বায়নের ফল। ইংরেজী অন্যান্য ভাষার চেয়ে কোন ভাষা পরিবর্তনে বেশী ভূমিকা রাখে। প্রায় সব ভাষায় ইংরেজী শব্দ পাওয়া যায়। এটাকে বলে ইংরেজীয়ানা। প্রাচীন কাল থেকেই ভাষা পরিবর্তন কে ভয় পাওয়া ও সমালোচনা করা হয়েছে। কিনÍু ভাষা পরিবর্তন একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত। কারণ, পবির্তনে প্রমাণ হয় যে, ভাষা আমাদের মতই জীবিত।