দেশীয় ভাষা = মানসিক, বিদেশী ভাষা = যুক্তিসঙ্গত?

বিদেশী ভাষা শেখার সময় আমাদের মস্তিষ্ক উত্তেজিত হয়। আমাদের চিন্তা শিক্ষার মাধ্যমে পরিবর্তন হয়। আমরা আরো সৃষ্টিশীল এবং নমনীয় হয়ে যায়। জটিল চিন্তা বহুভাষী মানুষের কাজে আসে। আমাদের স্মৃতি শেখার ফলে আরও কার্যকর হয়। আমরা যত বেশী শিখি, ততই এর কাজ ভাণ হয়। যে ব্যক্তি ভাষা শেখেন,তিনি দ্রুত অন্যান্য জিনিষ শিখতে পারেন। তিনি একটি দীর্ঘ সময়ের জন্য একটি বিষয় সম্পর্কে আরো মননিবেশ করতে পারেন। ফলে, তিনি দ্রুত সমস্যা সমাধান করেন। বহুভাষী ব্যক্তি আরো স্থিরবুদ্ধিসম্পন্ন হয়। কিন্তু কিভাবে তারা সিদ্ধান্ত নেন তাও ভাষার উপর নির্ভরশীল। ভাষা আমাদেরকে সিদ্ধান্ত গ্রহনে প্রভাবিত করে.। মনোবিজ্ঞানী এজন্য একটি গবেষণা করেন।

গবেষণার মানুষ সবাই দ্বি-ভাষিক ছিল। তারা তাদের স্থানীয় ভাষা ছাড়াও অন্য ভাষা কথা বলত। সবাইকে একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হল। প্রশ্নটি একটি সমস্যা সমাধান বিষয়ক ছিল। এই প্রক্রিয়ায়, সবাইকে দুটো বিষয়ের মধ্যে একটি নির্বাচন করতে বলা হয়। একটি বিষয় অন্য বিষয় থেকে অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সবাইকে উভয় ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হয়েছিল। দেখা গেল ভাষা পরিবর্তন হলেই উত্তর পরিবর্তন হচ্ছে! যখন তাদের স্থানীয় ভাষায় বলতে বলা হল, দেখা গেল সবাই ঝুঁকির বিষয়টি নিচ্ছে। কিন্তু বিদেশী ভাষায় তারা বিকল্প সিদ্ধান্তটি নিয়েছে যেটা নিরাপদ ছিল। এই পরীক্ষা করার পর, তাদেরকে বাজি ধরতে বলা হল। এখানে খুব স্পষ্ট পার্থক্য দেখা গেল। তারা যখন বিদেশী ভাষা ব্যবহার করে, তারা তখন বিচক্ষণ ছিল। গবেষকরা অনুমান করেন যে আমরা বিদেশী ভাষা ব্যবহারের সময় আমরা আরো নিবদ্ধ হয়। কারণ, আমরা আবেগের বশবর্তী না হয়ে, যুক্তিযুক্তভাবে সিদ্ধান্ত নিই ...