এক ভাষা, অনেক বৈচিত্র্য

যদি আমরা কেবল এক ভাষায় কথা বলি তার মানে আমরা অনেক ভাষায় কথা বলি। কোন ভাষার জন্য একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সিস্টেম নেই। প্রতিটি ভাষা ভিন্ন মাত্রা আছে। ভাষা একটি জীবন্ত পদ্ধতি। বক্তা সবসময় তার কথোপকথন অংশীদারের প্রতি উজ্জ্বল। অতএব, মানুষের ভাষায় তারতম্যতা রয়েছে। এই বৈচিত্র্য বিভিন্ন ভাবে প্রদর্শিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, প্রত্যেক ভাষার একটি ইতিহাস আছে। এটা পরিবর্তন করা হয়েছে এবং পরিবর্তন অব্যাহত থাকবে। এটা স্বীকৃত বিষয় যে, এই বয়স্ক মানুষ অল্প বয়স্ক ব্যক্তিদের চেয়ে ভিন্নভাবে কথা বলে। সব ভাষায় বিভিন্ন উপভাষা আছে। অনেক উপভাষা ভাষী তাদের পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারে। কিছু পরিস্থিতিতে তারা মানসম্মত ভাষায় কথা বলে।

বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর বিভিন্ন ভাষা আছে। যুবসম্প্রদায়ের ভাষা বা শিকারীর অর্থহীন ভাষা এর উদাহরণ। অধিকাংশ মানুষের কর্মক্ষেত্রের ভাষা আর ঘরের ভাষা এক নয়। এছাড়াও পেশাদারী কাজে অনেকে অপভাষা ব্যবহার করে। উচ্চারিত এবং লিখিত ভাষায় পার্থক্য দেখা যায়। কথ্য ভাষা সাধারণত লিখিত ভাষার তুলনায় অনেক সহজ। কিন্তু পার্থক্য বেশ বড় হতে পারে। এমনও হয় যে লিখিত ভাষা অনেকদিন পরিবর্তণ হয়না। তাহলে বক্তাকে প্রথমে লিখিত আকারে ভাষা ব্যবহার শিখতে হবে। নারী এবং পুরুষদের ভাষা ব্যবহার প্রায়ই ভিন্ন হয়। এই পার্থক্য পশ্চিমা সমাজে খুব একটা হয় না। কিন্তু এমনি কিছু দেশ আছে যে, মহিলারা পুরুষদের তুলনায় ভিন্নভাবে কথা বলে। কিছু সংস্কৃতির মধ্যে, ভদ্রতার নিজস্ব ভাষাগত ধরণ আছে। সুতরাং কথা বলা সবসময় সহজ না! একই সময়ে আমাদেরকে বিভিন্ন জিনিসে মনোযোগ দিতে হবে ...